লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

ইরান যুদ্ধে স্থলাভিযানে মার্কিন সেনানেতৃত্ব গড়রাজি, সঙ্কট বাড়ছে

প্রকাশিত: 04 এপ্রিল 2026

37 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নেতৃত্বে নজিরবিহীন পরিবর্তন আনা হয়েছে। জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যানসহ মোট ১২ জন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গেছে। আধুনিক মার্কিন ইতিহাসে একসঙ্গে এত উচ্চপর্যায়ের সামরিক কর্মকর্তাকে অপসারণের ঘটনা বিরল বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

এই সিদ্ধান্তের পেছনে প্রকৃত কারণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও সামরিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। এক পক্ষের দাবি, প্রেসিডেন্ট ও কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে সামরিক কৌশল নির্ধারণে রাষ্ট্রপতির পূর্ণ সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে। তাদের মতে, পেন্টাগনের ভেতরে কোনো ধরনের আপত্তি বা বিলম্ব কমান্ড চেইনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের শামিল।

অন্যদিকে সমালোচকরা ভিন্ন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, সংশ্লিষ্ট জেনারেলরা সম্ভবত এমন কোনো নির্দেশের বিরোধিতা করেছিলেন, যা আন্তর্জাতিক আইন বা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। ফলে এটি অবাধ্যতা নয়, বরং সম্ভাব্য ‘অবৈধ নির্দেশ’ প্রতিরোধের আইনি ও নৈতিক অবস্থানও হতে পারে বলে মত দিয়েছেন কিছু প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, অভিজ্ঞ সামরিক নেতৃত্ব হঠাৎ সরিয়ে রাজনৈতিকভাবে অনুগত ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হলে তা চলমান সামরিক অভিযানের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে এমন পরিবর্তন নতুন সংঘাত বা অনিয়ন্ত্রিত সামরিক উত্তেজনা বাড়ানোর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

এদিকে পেন্টাগনের অভ্যন্তরে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। শূন্য হওয়া গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো কীভাবে পূরণ করা হবে এবং চলমান সামরিক অভিযানে এর প্রভাব কতটা পড়বে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনাকে ঘিরে মূল প্রশ্ন এখন দুটি: এটি কি বেসামরিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার কঠোর প্রয়োগ, নাকি সামরিক পেশাদারিত্ব ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের সংঘাতের প্রকাশ।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman