দ্য সিভিলিয়ানস । স্পোর্টস ডেস্ক ।
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গোল্ডেন বুটের লড়াই আরও জমে উঠেছে। ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচে সুইডেনের বিপক্ষে জোড়া গোল করে লিওনেল মেসির সমান ৬ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। তবে ফিফার টাইব্রেকিং নিয়মে অ্যাসিস্টে এগিয়ে থাকায় তিনি এখন গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছেন।
গ্রুপ পর্ব শেষে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি ৬ গোল নিয়ে এককভাবে তালিকার শীর্ষে ছিলেন। আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক, অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল এবং জর্ডানের বিপক্ষে একটি গোল করেছিলেন তিনি।
অন্যদিকে, এমবাপ্পে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ধরে রেখেছেন। সেনেগাল, ইরাক ও সুইডেনের বিপক্ষে জোড়া গোল করে চার ম্যাচ শেষে তাঁর গোলসংখ্যাও দাঁড়িয়েছে ৬। তবে এমবাপ্পের ঝুলিতে রয়েছে ২টি অ্যাসিস্ট, যেখানে মেসির কোনো অ্যাসিস্ট নেই। ফলে ফিফার নিয়ম অনুযায়ী ফরাসি তারকাই এখন গোল্ডেন বুটের তালিকায় সবার ওপরে।
এমবাপ্পের সামনে রয়েছে ইতিহাস গড়ার সুযোগও। তিনি যদি শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতার অবস্থান ধরে রাখতে পারেন, তাহলে বিশ্বকাপ ইতিহাসে টানা দুই আসরে গোল্ডেন বুট জেতা প্রথম ফুটবলার হবেন। এর আগে ২০২২ সালের বিশ্বকাপে ৮ গোল করে এই পুরস্কার জিতেছিলেন তিনি।
গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে অবশ্য আরও কয়েকজন তারকা রয়েছেন। নরওয়ের আর্লিং হালান্ড তিন ম্যাচে ৫ গোল নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন। ফ্রান্সের উসমান দেম্বেলে ৪ গোল ও ২ অ্যাসিস্ট এবং ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ৪ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট নিয়ে প্রতিযোগিতায় টিকে আছেন।
এদিকে এমবাপ্পে বিশ্বকাপে নিজের মোট গোলসংখ্যা বাড়িয়ে ১৮-তে পৌঁছে গেছেন। সর্বকালের বিশ্বকাপ গোলদাতাদের তালিকায় তিনি এখন মেসির ১৯ গোলের খুব কাছাকাছি অবস্থানে।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব যত এগোচ্ছে, গোল্ডেন বুটের লড়াইও ততই রোমাঞ্চকর হয়ে উঠছে। শীর্ষস্থান ধরে রাখার পাশাপাশি ইতিহাস গড়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবেন এমবাপ্পে। অন্যদিকে, মেসির সামনেও রয়েছে গোলসংখ্যা বাড়িয়ে পুনরায় শীর্ষে ওঠার সুযোগ।
