লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

বাংলাদেশের তিন দিক ঘিরে ভারতীয় নতুন বিমান ঘাঁটি, বিশেষ সামরিক প্রস্তুতি

প্রকাশিত: 14 জানুয়ারী 2026

83 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের একমাত্র স্থলসংযোগ শিলিগুড়ি করিডর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত, তার নিরাপত্তা জোরদারে নতুন সামরিক পরিকল্পনা নিয়েছে নয়াদিল্লি। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সীমান্তঘেঁষা পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার পাঁচটি পরিত্যক্ত বিমানঘাঁটি পুনরায় সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, এমন সময়ে এই সিদ্ধান্ত এসেছে, যখন গত প্রায় এক বছর ধরে বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক ইতিহাসের নিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার রংপুর বিভাগের লালমনিরহাট বিমানঘাঁটি পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় বিষয়টি ভারতের সামরিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। কারণ এই বিমানঘাঁটি শিলিগুড়ি করিডরের খুব কাছাকাছি অবস্থিত।

বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, লালমনিরহাট বিমানঘাঁটি কেবল জাতীয় প্রয়োজনে ব্যবহৃত হবে। তবে উত্তর পূর্ব ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে চায় না ভারত। ভারতীয় সূত্রগুলোর দাবি, সীমান্ত এলাকায় যেকোনো আকস্মিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করা হচ্ছে। এরই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের সীমান্তবর্তী এলাকায় ‘লাচিত বরফুকন’ নামে তিনটি নতুন সেনাঘাঁটি স্থাপন করা হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার আমবাড়ি ও পাঙ্গা, দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট, মালদহের ঝালঝালিয়া এবং আসামের ধুবড়ি বিমানঘাঁটি সংস্কার করা হবে। এর আগে কোচবিহার ও আসামের রূপসী বিমানবন্দর পুনরায় চালু করা হয়েছে। বর্তমানে এসব বিমানঘাঁটি রাজ্য সরকারের কাছ থেকে হস্তান্তর নিয়েছে এয়ারপোর্টস অথোরিটি অব ইন্ডিয়া।

প্রতিরক্ষা সূত্রগুলো জানায়, দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকায় এসব ঘাঁটি পুরোপুরি সচল করতে কারিগরি জটিলতা রয়েছে। ঘন জঙ্গল, ক্ষতিগ্রস্ত রানওয়ে ও জনবসতির কারণে বড় পরিসরের অভিযান কঠিন। তবে সীমিত সংস্কারের মাধ্যমে জরুরি অবস্থায় হেলিকপ্টার ও ছোট সামরিক বিমান অবতরণের উপযোগী করে তোলার কাজ চলছে।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman