লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

ঐতিহাসিক জয় পেল সুইডেন

প্রকাশিত: 15 জুন 2026

4 Views

The Civilians News

তিউনিসিয়াকে ৫-১ গোলে হারিয়েছে সুইডেন। এই জয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয়বারের মতো এক ম্যাচে পাঁচ বা তার বেশি গোল করল সুইডিশরা। তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়টি এসেছিল ১৯৩৮ সালে, যখন কিউবাকে ৮-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল তারা।

প্রথম ৩০ মিনিটেই দুইবার তিউনিসিয়ার জাল কাঁপিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয় সুইডেন। তবে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই একটি গোল শোধ করে ব্যবধান কমায় তিউনিসিয়ানরা। তাতে ম্যাচে ফেরার আশা জাগলেও বিরতির পর আর কোনো সুযোগই পায়নি তারা। দ্বিতীয়ার্ধে আরও তিন গোল করে দাপুটে জয় নিশ্চিত করে সুইডেন।

রোববার মেক্সিকোর মন্টেরি স্টেডিয়ামে এফ গ্রুপে খেলায় দলটির হয়ে জোড়া গোল করেন ইয়াসিন আয়ারি। এছাড়া, একটি করে গোল করেন আলেকজান্ডার আইজাক, ভিক্টর ইয়োকেরেস ও মাতিয়াস স্বানবেরি।

এদিন ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায় সুইডেন। বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জোড়ালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন ইয়াসিন। ম্যাচের ৩০তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুন করেন আইজাক। বল দখলের লড়াই থেকে আক্রমণ সবখানেই এগিয়ে ছিল সুইডেন। তবে রক্ষণ সামলে আক্রমণের সুযোগ খুজতে থাকে তিউনিসিয়া। কিন্তু সুইডেনের রক্ষণ শক্ত থাকায় সুযোগ পাচ্ছিল না দলটি।

স্রোতের বিপরীতে ৪৩তম মিনিট এক গোল শোধ করে তিউনিসিয়া। হানিবাল মেজব্রির বাড়ানো ক্রসে হেডে বল জালে জড়িয়েছেন ওমর রেকিক।

বিরতি থেকে ফিরে তৃতীয় গোলও পেয়ে যায় সুইডেন। ৫৯তম মিনিটে ব্যবধান বাড়ানো গোলটি করেন ভিক্টর ইয়োকেরেস। এই গোলে অবশ্য ইয়োকেরেসের নৈপূণ্যের চেয়ে তিউনিসিয়ার দায়ই বেশি। গোলকিপার শামাখ হাত দিয়ে বল বাড়িয়েছিলেন স্খিরির দিকে। ইসাক যে কাছাকাছি আছেন খেয়াল করেননি। ক্ষীপ্র সুইডিশ স্ট্রাইকার স্খিরির কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে পাশে থাকা ইয়োকেরেসকে দেন। কোনাকুনি শটে বল জালে জড়াতে কোনো কষ্টই হয়নি আর্সেনাল ফরোয়ার্ডের।

এরপর আক্রমণের ধার আরও বাড়ায় সুইডেন। দলটির একের পর এক আক্রমণ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছিল তিউনিসিয়ার রক্ষণভাগ। ৮৫তম মিনিটে আরও এক গোলের দেখা পায় সুইডেন। মাঠে নামার মাত্র ১৮ সেকেন্ড পর প্রথম বল ছুয়েই গোল করেন মাতিয়াস স্বানবেরি। যদিও প্রথমে সহকারি রেফারি অফসাইড দিয়েছিলেন। তবে সুইডেনের খেলোয়াড়রা দাবি করতে থাকেন, অফসাইড হয়নি। তাদের যুক্তি ছিল, ইসাকের ফ্লিকের পর খেলা নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করে এবং সে সময় স্বানবেরি অফসাইড অবস্থান থেকে ফিরে অনসাইডে চলে এসেছিলেন।

এরপর সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য দীর্ঘ সময় নেয় ভিএআর। রেফারিও প্রথমে ভিএআর কক্ষ থেকে আসা বার্তা ঠিক ভাবে শুনতে পারছিলেন না। শেষ পর্যন্ত তিনি সিদ্ধান্ত জানান, কিন্তু শুরুতে সেটি ঠিকমতো বুঝতেই পারেননি সুইডিশ খেলোয়াড়রা। ফলে মাঠে তৈরি হয় খানিকটা হাস্যকর পরিস্থিতি। কয়েক সেকেন্ডের বিভ্রান্তির পর অবশেষে গোলের স্বীকৃতি পেয়ে উদযাপন শুরু করেন স্বানবেরি।

তখনো গোলের ক্ষুধা মেটেনি সুইডেনের। অতিরিক্ত সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে তিউনিসিয়ার জালে পঞ্চমবার বল পাঠায় সুইডেন। শুরুটা করেছিলেন ইয়াসিন আয়ারি, শেষটাও করলেন তিনিই। এই গোলের পরই খেলা শেষের বাশি বাঁজান রেফারি।

এমএ

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman